মতিলাল দাশ বলেন, মেয়ের চ'রি'ত্রে সমস্যা ছিল। তাকে দুই বার বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কোনো বিয়ে সে টিকিয়ে রাখতে পারেনি। দুই সন্তানের মা হওয়ার পরেও সে অন্য ছেলেদের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতো, দেখা করতো—যা তার স্বামীরা মেনে নিতে পারেনি। তাই বারবার তারা পূর্ণিমা দাশকে তার বাবার বাড়িতে রেখে চলে যেত।
কিন্তু মেয়ের কোনো শিক্ষা হয়নি। বাবার বাড়িতেও এসে সে একই কাজ করে যেত। কয়েকদিন আগে এক ছেলের সঙ্গে সন্তানদের রেখে ঢাকা পালিয়ে যায়। যার সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল, সেই ছেলে কয়েকদিন রেখে আবার তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
মতিলাল দাশ একজন ধার্মিক মানুষ—গীতা পাঠ করেন, কীর্তন করেন। মেয়ের এমন আচরণে পাড়া-প্রতিবেশীরা তাকে অপমানজনক কথা বলত। এসব সহ্য করতে না পেরে, তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় নিজের মেয়ে পূর্ণিমা রানী দাশকে হ"ত্যা করেন।
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের কুড়িশাইল বেগমপুর গ্রামে মতিলাল দাশ নামে এক ব্যক্তি নিজের মেয়ে পূর্ণিমা রানী দাশ (২৫) কে হ*ত্যা করেছেন।