আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জায়গা দখল ও গাছকাটার অভিযোগ।
নেত্রকোনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
মোঃ কামরুল হাসান।
নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে
রবিবার (১২ এপ্রিল) কৃষক মোঃ নাজিম উদ্দিন নাজু মিয়াগংদের জায়গার গাছ কাটা ও ভূমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী চাঁন মিয়া ও রাসেল গংদের বিরুদ্ধে।
এদিকে কৃষক নাজিম উদ্দীন জানান, প্রতিবেশী চাঁন মালেক, রাসেলগংদের সাথে আমার জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো, এ নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। আমাদের রেকর্ডকৃত জায়গা তারা জোর করে দখল করে খেতে চায় আমরা বাঁধা দিলে আমাদের হামলা করতে আসে। এ জমি আইন উদ্দিনের কাছ থেকে মোল্লা হোসেন ২৭ বছর জমিটি ক্রয় করেন। কিন্তু জমিটি অন্য জায়গায় জমি বুঝিয়ে দেন। দীর্ঘ ২৭ বছর পড়ে সঠিক মাপ নিলে বুঝতে পারি যে জমিটি আমাদের, এতবছর তারা ভোগ-দখল করে খেয়েছে। এখন আমরা আমাদের জায়গা দখলে নিই সামাজিক দরবারের মাধ্যমে। তখন এলাকার মুরুব্বি ও মাণ্যগণ ব্যক্তিরা এক পর্যায়ে তাদের এত বছর তারা যেহেতু আমাদের জায়গায় ছিল সে বিবেচনায় জমি ক্রয় করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু তারা জমির ন্যায্য মূল্য দিতে নারাজ। এমনকি জোর করে থাকতে চায়। পরে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করে। বর্তমানে জমিটিতে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। আমরা আদালতের নির্দেশ মেনে সেখানে যাই নি। কিন্তু তারা আজকে এখানে এসে গাছ-গাছালি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই।
এবিষয়ে অভিযুক্ত চাঁন মালেকের কাছে জানতে চাইলে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি জানান যে, রেকর্ড তাদের থাকলেও আমরা ৪০০ বছরযাবত দখল করে আছি। এভাবেই আছি।
এলাকাবাসীরা জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র স্থানীয় লাঠিয়াল বাহিনী ও রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে মালিকানা জমি জোরপূর্বক দখল করছে। শুধু দখলই নয় আদালতের মাধ্যমে ভুয়া মামলা করে হয়রানি চলছে প্রকাশ্যে। ১৯৫৬ সালের রেকর্ড অনুযায়ী এই জমি ব্যক্তি মালিকানা অধীনে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত।
অভিযোগকারীরা জানান, প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তা স্থায়ী সমাধান আনতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং মামলা জটিলতা তৈরি করে দখলদাররা নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে।