সরকারি হালটের গাছ কাটা অনিয়ম, দুর্নীতি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি অভিযোগ ববি নামে সরকারি কর্মকর্তা বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক নেত্রকোনা।
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে সরকারি চাকুরীর প্রভাব দেখিয়ে সরকারি হালটের গাছ কাটা, জমি সংক্রান্ত মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের দ্বীপায়ন দত্ত মজুমদার ববি গংদের বিরুদ্ধে।সাম্প্রদায়িক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গাছ কাটা খবর প্রকাশ পাওয়ার জের ধরে এলাকার সাধারণ মানুষকে করছেন বিভিন্নভাবে হয়রানি দিচ্ছেন, হুমকি।
এমন ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত হলেন,বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণক অফিসে কর্মরত আছেন দীপায়ন দত্ত মজুমদার।
সরজমিনে অনুসন্ধানমূলক অভিযোগে সূত্রে জানা,বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে বিভিন্ন উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা দ্বায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে চাল চুরি, দুর্নীতির অনিয়মও অভিযোগও রয়েছে। তৎকালীন সরকারের আমলে থেকেই দেবোতোর নামের এক মন্দিরের জমির নাম ভাঙিয়ে রায়পুর ইউনিয়নের বিভিন্ন খেটে খাওয়া দিনমজুর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা ও হাতিয়ে নিয়েছে,একাধিক পরিবারকে করেছেন নিঃস্ব।এখনো দেবোত্তরের জমি নাম ভাঙ্গিয়ে সাধারণ মানুষকে করছেন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি।কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে পড়তে হয় বিভিন্ন হয়রানি মূলক মামলায়।
এদিকে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সূত্রে জানা যায়,জাল দলিল,মিথ্যা মামলা,দেবোত্তরের জমির নাম ভাঙ্গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি। বিভিন্ন খাতে নানা অনিয়মও পাওয়া গেছে।
কে এই দেবতোর প্রশ্ন উঠেছে সর্বসাধারণ মানুষের মনে।
স্থানীয়রা বলেন,সরকারি হালটের গাছ কাটা নিয়ে যাওয়া বিষয়াদি নিয়ে আব্দুল হেকিমের অভিযোগ এর খবর প্রচারণা হওয়ার পর থেকে তিনি সাধারণ মানুষের এবং গ্রামবাসীর মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছেন।সম্প্রদে এই বিষয়াদি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হয়েছে এবং জাল দলিল,সরকারি হালটের গাছ কাটা, জমির মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি বিষয়টিকে ঘিরে কোন বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগে যেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে যথাযথ গ্রহণ করে দাবি স্থানীয় এলাকাবাসীর।
এদিকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ড তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।গাছগুলো ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে আটক রয়েছে।