সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপুরে গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত,মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বক্তব্য নিয়ে আলোচনা। গাজীপুরে শিক্ষানুরাগী হাসান মোহাম্মদ শরীফের ওপর হামলা, নিন্দা ও প্রতিবাদ। কালিয়াকৈরে নারী আইনজীবী ও শিশু কন্যাকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ। সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেলেন প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম)। গাজীপুর পূবাইলে রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’র আড়ালে মাদক বিক্রি, গ্রেপ্তার চারজন। বারহাট্টায় চুরি হওয়া গর্ভবতী গাভী গরু উদ্ধার। কলমাকান্দায় স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে মামলা। কলমাকান্দায় ধানের বস্তার আড়ালে ৬০ প্যাকেট জিরা ও ১১০০ সাবানসহ আটক ১। কালিয়াকৈরে দফায় দফায় হামলা-হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। জারার স্মৃতি বুকে নিয়ে মানবসেবার মাধ্যমে বেঁচে থাকার প্রত্যয় পিতার।
‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।
‎

‎কাগজে কলমে ছাত্র-ছাত্রী ১৫০,বাস্তবে উপস্থিতি মাত্র কয়েকজন।
‎স্থানীয়দের দাবি,বেতন নিলেও শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতি
‎
‎নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
মোঃ কামরুল হাসান।
‎
‎নেত্রকোনার কলমাকান্দা সদর উপজেলার ইউনিয়নের পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আজ কার্যত শিক্ষার্থীশূন্য অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মনগড়া কমিটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নুর মিয়া নামের এক ব্যক্তি পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে উপজেলার নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রধান শিক্ষক আছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায় করেছেন। অভিযোগে, তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতি, দায়িত্বহীনতা এবং পাঠদানে অনীহাই বিদ্যালয়টিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
‎ এই বিদ্যালয়ে কাগজে-কলমে শিক্ষার্থী ১৫০ জন, শিক্ষক ৫ জন। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ঠিক উল্টো, শ্রেণিকক্ষে থাকে মাত্র তিন চারজন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কোন শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থীই নেই।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাচঁ শিক্ষকের মধ্যে ৪ জন উপস্থিত ছিলেন, আর একজন শিক্ষিকা প্রশিক্ষণে । তবে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল প্রায় শূন্যের মতো।
‎
‎স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর শিক্ষকরা শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন-ভাতা নিয়েছেন, কিন্তু নিয়মিত ক্লাস নেননি। অনিয়মিত পাঠদান আর অবহেলার কারণে অভিভাবকরা বাধ্য হয়ে সন্তানদের অন্য স্কুল ও মাদরাসায় ভর্তি করিয়েছেন। তাদের ভাষায়, “স্কুলে শিক্ষক থাকলে ছাত্রও থাকত।”
‎প্রধান শিক্ষক আছির উদ্দিনের আচরণ ও তেমন একটা ভালো না।
কমিটির কথা বলে রাতের আঁধারে স্বজন প্রীতির মাধ্যমে কাউকে না জানিয়ে কমিটি করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে প্রধান শিক্ষক আছির উদ্দিনের দিকে।

‎অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলানোর চেষ্টা করছেন তারা। তার দাবি, অভিভাবকদের অনাগ্রহই বড় সমস্যা। তিনি জানান, “আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের ডেকেছি, চেষ্টা করছি শিক্ষার্থী বাড়াতে।”
‎
‎কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, বিদ্যালয়ের এই সংকট নতুন নয়। বছরের পর বছর শিক্ষকরা নিয়ম অনুযায়ী স্কুলে উপস্থিত না থাকায় এবং পাঠদান না করায় আজ এই দুরবস্থা তৈরি হয়েছে।
‎
‎অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দায়িত্বহীন শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়টি পুরোপুরি অচল হয়ে যাবে।

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা