সংবাদ শিরোনাম :
জারার স্মৃতি বুকে নিয়ে মানবসেবার মাধ্যমে বেঁচে থাকার প্রত্যয় পিতার। নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের শুনই গ্রামে পানিতে ডুবে ১৮ মাস বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। কলমাকান্দা পোগলা ইউনিয়ন এর মান্দারোয়া বিল, ঘুমাই নদী ও দুগদই খাল উন্মুক্ত করায় খুশি এলাকাবাসী। নারী শিক্ষিকাকে শ্লীলতাহানী ও যৌন হয়রানী’র অভিযোগ আওয়ামী ওলামালীগ নেতার বিরুদ্ধে। কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা সংকট। নেত্রকোনায় ৮৫ লাখ টাকার টয়লেট উদ্বোধনের আগেই ভেঙ্গে পড়ছে। নেত্রকোনার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভবনের নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে কারিগরি ও বাণিজ্যিক কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে কলমাকান্দা বাজারে ৩২টি সিসি ক্যামেরার উদ্বোধন ‎কলমাকান্দা সদর পাতিমঞ্জিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকে বিরুদ্ধে।
নেত্রকোনায় প্রবাসীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা।

নেত্রকোনায় প্রবাসীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা।

নেত্রকোনায় প্রবাসীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা।

নেত্রকোনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
মোঃ কামরুল হাসান।

মালয়েশিয়া প্রবাসী মোকাররম খান তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন। 

সূত্রে জানায়, নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার  পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল জলিল খানের মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলে মোকাররাম খানের সাথে গত ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই পারিবারিক ভাবে পাশ্ববর্তী দুর্গাপুর উপজেলার বড়বাট্টা গ্রামের মোঃ বজলুর রহমান খানের মেয়ে মোছাঃ লাকী খানমের বিয়ে হয়। 

 কিছুদিন সংসার করার পর মোকাররাম আবারও মালয়েশিয়া চলে যায়। মোকাররাম খান তার স্ত্রীকে কয়েকবার মালয়েশিয়ায় নিয়ে যান। কিন্তু তিনি সেখানে, স্বামীর সাথে না থেকে দেশে ফিরে আসেন এবং লাকী খানম বাবার বাড়ি চলে যান এবং সেখানেই বসবাস করতে থাকেন। মালয়েশিয়া থেকে স্ত্রীর ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠাতেন মোকাররাম খান। পাঠানো টাকা স্বামীর পরিবারে খরচ না করে লাকী তার বাবার কাছে দিয়ে দিতেন এবং শশুর শাশুরির সাথে খারাপ ব্যবহার করতেন।

 এ ঘটনায় আব্দুল জলিল খানের ছেলে মোজাম্মেল হক খান বাদী হয়ে নেত্রকোণার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লাকী খান ও তার বাবা মোঃ বজলুর রহমান খানের বিরুদ্ধে মামলা(ফৌঃকাঃবিঃ ১০০ ধারার বিধান মতে দরখাস্ত নং ১৭৬/২০২৫) দায়ের করেন।

এর প্রেক্ষিতে বিষয়টি মীমাংসার জন্য গত বছরের ২৫ জুলাই লাকী খানম ও বজলুর রহমান খান আব্দুল জলিল খানের বাড়িতে যান। রাতের খাবার খেয়ে সকলেই ঘুমিয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ওইদিন রাত ৪টার দিকে বাদী আব্দুল জলিল খান ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান ছেলের বউ ও তার বাবা ঘরে নেই। তিনি আরও দেখতে পান ঘরের আলমারীর ড্রয়ার ভাঙ্গা। সেখানে ৫ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিল সেগুলোও নেই। 

পরবর্তীতে এঘটনায় কলমাকান্দা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লাকী খান ও তার বাবা মোঃ বজলুর রহমান খানের বিরুদ্ধে মামলা (কলমাকান্দা থানার সি.আর নং- ২০৬/২০২৫ ধারা ৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড এবং কোর্ট স্মারক নং- ২৫৫/২৫ তারিখ: ১১/০৮/২০২৫)  দায়ের করেন। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে মালয়েশিয়া প্রবাসী মোকাররম খান জানান, লাকি খানম বিয়ের পর থেকেই আমার পরিবারের লোকজনদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে আসছে। পাশাপাশি আমার প্রবাস জীবনের সমস্ত উপার্জন কৌশলে নিয়ে পালিয়ে গেছে, আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি, সুবিচার চাই। 

এব্যাপারে লাকী খানমের পক্ষ থেকে তার পিতা বজলুর রহমান খান জানান, কলমাকান্দা থানার সেকেন্ড অফিসার মোটা অংকের টাকা খেয়েছে আমাদের কাছ থেকে,  আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা করবো। মোকাররমের সব অভিযোগ মিথ্যা। 

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা