সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপুরে গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত,মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বক্তব্য নিয়ে আলোচনা। গাজীপুরে শিক্ষানুরাগী হাসান মোহাম্মদ শরীফের ওপর হামলা, নিন্দা ও প্রতিবাদ। কালিয়াকৈরে নারী আইনজীবী ও শিশু কন্যাকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ। সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেলেন প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম)। গাজীপুর পূবাইলে রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’র আড়ালে মাদক বিক্রি, গ্রেপ্তার চারজন। বারহাট্টায় চুরি হওয়া গর্ভবতী গাভী গরু উদ্ধার। কলমাকান্দায় স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে মামলা। কলমাকান্দায় ধানের বস্তার আড়ালে ৬০ প্যাকেট জিরা ও ১১০০ সাবানসহ আটক ১। কালিয়াকৈরে দফায় দফায় হামলা-হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। জারার স্মৃতি বুকে নিয়ে মানবসেবার মাধ্যমে বেঁচে থাকার প্রত্যয় পিতার।
খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা, হুমকিতে বোরো ফসল—২৭ বছর ধরে ক্ষতির মুখে কৃষকরা।

খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা, হুমকিতে বোরো ফসল—২৭ বছর ধরে ক্ষতির মুখে কৃষকরা।

খাল ভরাটে জলাবদ্ধতা, হুমকিতে বোরো ফসল—২৭ বছর ধরে ক্ষতির মুখে কৃষকরা।

নেত্রকোনা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
মোঃ কামরুল হাসান।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রাম থেকে মান্দার বিল পর্যন্ত সংযোগকারী দুটি সরকারি নালা দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় ভরাট হয়ে পড়েছে। এতে পানি নিষ্কাশন না থাকায় বাধাগ্রস্ত হয়ে এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলি ধানি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধীতপুর গ্রামের সামনে অবস্থিত ধলা বিল থেকে মান্দার বিল পর্যন্ত বিস্তৃত নালাগুলো একসময় এলাকার পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নালাগুলো বর্তমানে ভরাট হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
এর ফলে মৌসুমের শুরুতেই সামান্য বৃষ্টিপাতে পানি জমে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি তলিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ধলা বিলে প্রতিবছর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ একর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের হিসাবে, বছরে গড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার মণ বোরো ধান নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকেরা সাংবাদিকদের জানান, গত প্রায় ২৭ বছর ধরে তারা এই সমস্যার মুখোমুখি। জলাবদ্ধতার কারণে নিয়মিত ফসলহানি তাদের জীবিকায় মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করলেও ফসল ঘরে তোলার আগেই তা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়ছেন।
সাধারণ কৃষক জানান, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছরই একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

কৃষকদের দাবি,দ্রুত খালগুলো পুনঃখনন করা না হলে ভবিষ্যতে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
স্থানীয়দের মতে, খালগুলো পুনঃখনন করা হলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা