সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপুরে গুলিতে সাংবাদিক আলিফ ফকির নিহত,মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বক্তব্য নিয়ে আলোচনা। গাজীপুরে শিক্ষানুরাগী হাসান মোহাম্মদ শরীফের ওপর হামলা, নিন্দা ও প্রতিবাদ। কালিয়াকৈরে নারী আইনজীবী ও শিশু কন্যাকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ। সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেলেন প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম)। গাজীপুর পূবাইলে রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’র আড়ালে মাদক বিক্রি, গ্রেপ্তার চারজন। বারহাট্টায় চুরি হওয়া গর্ভবতী গাভী গরু উদ্ধার। কলমাকান্দায় স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে মামলা। কলমাকান্দায় ধানের বস্তার আড়ালে ৬০ প্যাকেট জিরা ও ১১০০ সাবানসহ আটক ১। কালিয়াকৈরে দফায় দফায় হামলা-হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন। জারার স্মৃতি বুকে নিয়ে মানবসেবার মাধ্যমে বেঁচে থাকার প্রত্যয় পিতার।
টঙ্গীর কেরানীটেক বস্তিতে শীর্ষ মাদক কারবারি দম্পতি বাবলু-স্বর্ণা: অধরাই থেকে বাড়ছে আতঙ্ক।

টঙ্গীর কেরানীটেক বস্তিতে শীর্ষ মাদক কারবারি দম্পতি বাবলু-স্বর্ণা: অধরাই থেকে বাড়ছে আতঙ্ক।

টঙ্গীর কেরানীটেক বস্তিতে শীর্ষ মাদক কারবারি দম্পতি বাবলু-স্বর্ণা: অধরাই থেকে বাড়ছে আতঙ্ক।

গাজীপুর জেলা স্টাফ রিপোর্টার
মোঃলিমন হোসেন।

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন কেরানীটেক বস্তি ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি প্রভাবশালী মাদক চক্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এই চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে বাবলু ও তার স্ত্রী স্বর্ণা নামের এক দম্পতি, যারা এলাকায় শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। বিস্ময়কর হলেও সত্য—এত অভিযোগ ও আলোচনা থাকা সত্ত্বেও এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে তারা।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, কেরানীটেক বস্তিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত এই মাদক সিন্ডিকেটের শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে পড়েছে টঙ্গী, পূবাইলসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, তাদের নিয়ন্ত্রণে একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক কাজ করছে, যার মাধ্যমে নিয়মিত মাদক সরবরাহ করা হয় বিভিন্ন স্থানে। এর ফলে এলাকায় কিশোর ও তরুণদের একটি বড় অংশ মাদকের ভয়াবহ আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবকরা।

অভিযোগ আরও রয়েছে, মাদক ব্যবসা থেকে অর্জিত বিপুল অর্থে বাবলু-স্বর্ণা দম্পতি টঙ্গী ও পূবাইল এলাকায় একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট গড়ে তুলেছেন। স্থানীয়দের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের এই অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি এলাকাবাসীর নজরে আসে এবং তা নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই মনে করছেন, এসব সম্পদের পেছনে রয়েছে অবৈধ মাদক বাণিজ্যের অর্থ।

এলাকাবাসী জানান, প্রভাবশালী এই চক্রের কারণে কেউ সহজে মুখ খুলতে সাহস পান না। অভিযোগ আছে, তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এদের কার্যক্রম চললেও তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।

সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মাদক চক্র একটি এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে বস্তি ও নিম্নআয়ের এলাকাগুলোকে কেন্দ্র করে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, যা দ্রুত দমন করা না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের জোর দাবি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করে পুরো এলাকাকে মাদকমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া

Facebook Comments Box





© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দেনিক জনতার বার্তা